শহীদুল ইসলাম (রাজনীতিবিদ)

মুফতি শহীদুল ইসলাম (১৫ মার্চ ১৯৬০ – ২৭ জানুয়ারি ২০২৩) একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও নড়াইল-২ আসনের সাবেক সাংসদ। তিনি ২০০২ সালের উপনির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির ছিলেন। ২০০৯ সালে বাংলাদেশ গণসেবা আন্দোলন নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন তিনি।[2][3]

মুফতি

শহীদুল ইসলাম
নড়াইল-২ আসনের
সংসদ সদস্য
কাজের মেয়াদ
২০০২  ২০০৬
পূর্বসূরীশেখ হাসিনা
উত্তরসূরীএসকে আবু বকর
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম(১৯৬০-০৩-১৫)১৫ মার্চ ১৯৬০
ঝিলটুলী, ফরিদপুর, পূর্ব পাকিস্তান
(বর্তমান বাংলাদেশ)
মৃত্যু২৭ জানুয়ারি ২০২৩(2023-01-27) (বয়স ৬২)
মাদরাসা আবু হুরায়রা, মানিকগঞ্জ, বাংলাদেশ[1]
সমাধিস্থলজামিয়াতুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদ্রাসা, কেরানীগঞ্জ, ঢাকা
নাগরিকত্বপাকিস্তান (১৯৭১ সালের পূর্বে)
বাংলাদেশ
রাজনৈতিক দলবাংলাদেশ খেলাফত মজলিস (২০০১-২০০৯)
বাংলাদেশ গণসেবা আন্দোলন
অন্যান্য
রাজনৈতিক দল
ইসলামী ঐক্যজোট
সন্তানদুই পুত্র ও চার কন্যা
মুফতি তালহা ইসলাম
হামজা ইসলাম
প্রাক্তন শিক্ষার্থীনিউটাউন মাদ্রাসা, করাচী, পাকিস্তান
পেশারাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবা
ধর্মইসলাম

প্রাথমিক জীবন

মুফতি শহীদুল ইসলাম ১৫ মার্চ ১৯৬০ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) ফরিদপুরের ঝিলটুলী এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। পৈত্রিক নিবাস নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলায়। তার পিতা শামসুল হক সরদার। শহীদুল পাকিস্তানের করাচীর নিউটাউন মাদ্রাসা থেকে ১৯৮৮ সালে দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স) ডিগ্রি অর্জনের পর মুফতী (ইসলামি আইনশাস্ত্রের পণ্ডিত) ডিগ্রি লাভ করেন।

রাজনৈতিক ও কর্মজীবন

মুফতি শহীদুল ইসলাম ১৯৮৮ সালে তিনি আল মারকাজুল ইসলামী প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি এ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। ২০০৯ সালে বাংলাদেশ গণসেবা আন্দোলন নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন। তিনি এ দলের চেয়ারম্যান। এর আগে তিনি ইসলামী ঐক্যজোটের মজলিমে শূরার সদস্য ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির ছিলেন।[2]

২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-২ আসনে শেখ হাসিনার কাছে ৪ হাজার ২৩৩ ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন। শেখ হাসিনা আসনটি ছেড়ে দিলে উপনির্বাচনে শহীদুল বিজয়ী হন।[3][4][5]

পারিবারিক জীবন

মুফতি শহীদুল ইসলাম ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত। তিনি দুই পুত্র ও চার কন্যার জনক।

মৃত্যু

শহীদুল ইসলাম ২০২৩ সালের ২৭ জানুয়ারি মানিকগঞ্জে মৃত্যুবরণ করেন। সেদিন বায়তুল মোকাররম মসজিদে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়, যাতে মসজিদুল আকসার ইমাম আলী ওমর ইয়াকুব আল আব্বাসী ইমামতি করেন। কেরানীগঞ্জের জামিয়াতুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে তাকে দাফন করা হয়।[6][7]

তথ্যসূত্র

  1. "সাবেক এমপি মুফতি শহীদুল ইসলাম ইন্তেকাল করেছেন"মানবকণ্ঠ। ২৭ জানুয়ারি ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০২৩
  2. "মুফতি শহীদের নেতৃত্বে 'গণসেবা আন্দোলন' নামে নতুন দলের আত্মপ্রকাশ"দৈনিক সংগ্রাম। ২০১৭-০৮-১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১১-০৭
  3. "৮ম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (পিডিএফ)জাতীয় সংসদবাংলাদেশ সরকার। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল (পিডিএফ) থেকে আর্কাইভ করা।
  4. "মাশরাফির বিরুদ্ধে লড়বেন মুফতি শহিদুল ইসলাম"আওয়ার ইসলাম। ২০১৮-১১-২৯। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১১-০৭
  5. "৩০ ডিসেম্বরের ম্যাচে মাশরাফির প্রতিদ্বন্দ্বী এক ডজন"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১১-০৭
  6. "মুফতি শহিদুল ইসলামের জানাজা পড়ালেন বায়তুল মুকাদ্দাসের ইমাম"দৈনিক আমাদের সময়। ২৭ জানুয়ারি ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০২৩
  7. "ইসলাম ও মানবসেবায় অনন্য ভূমিকা রেখেছেন মুফতি শহীদুল ইসলাম নামাজে জানাজায় সালমান এফ রহমান"ইনকিলাব। ২৭ জানুয়ারি ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০২৩
This article is issued from Wikipedia. The text is licensed under Creative Commons - Attribution - Sharealike. Additional terms may apply for the media files.